শাহ্ রাহাত আলী কলেজের প্রিন্সিপালের কিছু অসামাজিক অমানবিক কর্মকাণ্ড

আমার নাম আবদুর রহমান 

আমি শাহ্ রাহাত আলী কলেজে ৫/১২/২০২৩ ১ম সাময়িক পরিক্ষা বেতন না দিয়ে পরিক্ষা হলে যাওয়ায় প্রিন্সিপাল স্যার আমার হাত থেকে আমার ঘড়িটা খুলে রেখে দেয়, ইচ্ছে বলছিল যখন টাকা দিতে পারব তখন ঘড়িটা নিয়ে যাইতে, আর বাকি পরীক্ষাগুলো টাকা জমা দিয়ে দিতে। এরকম অমানবিক কাজ একজন প্রিন্সিপালের কাছ থেকে আশা করি নাই, আমাকে অনেক বড় ধরনের অপমান করা হয়েছে, আমার হাত থেকে ঘড়িটা খুলে রেখে দেওয়া হয়েছে। 

তারপরের দিনের পরিক্ষাটা আমি দেই নাই। ৩য় পরিক্ষা দেওয়ার দিন টাকা  জমা দিয়ে ঘড়ি ফিরিয়ে আনতে হয়েছে। অপমান টা বেশি হয়ে গিয়েছিলো তাই আমি ওই দিন বাড়িতে এসে ঘড়ির সাথে কাগজ টা খুবই যত্ন করে রেখেছিলাম। 

ওই দিনই আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিলাম যে যদি কখনো বড় অবস্থানে পৌঁছাতে পারি, ঐদিন উনার চোখের চোখ রেখে কাগজটা দেখিয়ে আমার অপমানের জবাব চাইবো বদলা নিব। আজ আল্লাহর অশেষ রহমতে ৯ মাস পরে শাহ্ রাহাত আলী ছাত্র সমাজের সাথে উনার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পেরেছি, উনি তো প্রথম বলেছে আমি মিথ্যাবাদী, আমি নাকি সুযোগে সৎ ব্যবহার করতেছি, কিন্তু আমি তো প্রমাণ ছাড়া কোন কথা বলি নাই তারপর প্রমাণ এনে তার চোখে চোখ রেখে তাকে দেখিয়ে দিয়েছি আমি সত্য নাকি মিথ্যা। 

যাই হোক এই ধরনের আচার-আচরণ একজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপালের কাছে আশা করা যায় না। আর এ ধরনের অন্যায় অত্যাচার আমরা ভবিষ্যতে প্রশ্রয় দিবো না। 

ওই যে একটা ভাইরাল ডাইলক আছে না, 

মাসুদ ভালো হয়ে যাও,🫵 

আমিও বলতে চাই জাহাঙ্গীর ভালো হয়ে যাও 🤣🤣




Post a Comment

0 Comments